ভালোলাগার বই – “প্রথম আলো প্রথম খন্ড”

“সব ছাপিয়ে, এই উপন্যাসেরও মূল নায়ক-সময়। তীর সামনে ছুটে যাবার আগে কিছুটা পিছিয়ে যায়। বর্তমান থেকে ভবিষ্যতের দিকে আগিয়ে যাবার … আরো পড়ুন…

হাতুড়-কাস্তে-মনিব ও একটি দিবসের গল্প

“চিমনির মুখে শোনো সাইরেন শঙ্খ গান গায় হাতুড়ি ও কাস্তে তিল তিল মরণেও জীবন অসংখ্য জীবনকে চায় ভালোবাসতে।” -সুভাষ মুখোপাধ্যায় … আরো পড়ুন…

সভ্যতার ক্রমবিকাশে নারীর মাইনরিটি

আমাদের সুবিধাবাদীতার যুগে সমতা শব্দটার কী নির্বিচার মৃত্যু! পৃথিবীর অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী হওয়া সত্ত্বেও তারা ‘সেকেন্ড জেন্ডার’ কিংবা ‘মাইনর’ বা অপ্রধান ! নারীশিক্ষার সুযোগের জায়গাটা বর্তমানে ত্রুটিপূর্ণ ও মেকিভাবে তৈরি করে দেওয়াটাও নারীকে কৌশলে শান্ত রাখার এক প্রক্রিয়া,যেমনটা ইংরেজরা ভারতবর্ষের ওপর দেখিয়েছিল। তবে এতেও নারীরা থেমে নেই,অনেকটা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে হলেও তারা চলছে। প্রথাবিরোধী লেখক প্রয়াত হুমায়ুন আজাদ তাঁর ‘নারী’ বইতে লিখেছেন আমাদের দেশের শৃঙ্খলিত নারী সমাজের কথা। বলেছেন, ‘নারী সম্ভবত মহাজগতের সবচেয়ে আলোচিত পশু।’ তিনি আরো বলেছেন, ‘পুরুষ নারীকে দেখে দাসীরূপে, করে রেখেছে দাসী; তবে স্বার্থে ও ভয়ে কখনো কখনো স্তব করে দেবীরূপে। পুরুষ এমন প্রাণী, যার নিন্দায় সামান্য সত্য থাকতে পারে; তবে তার স্তব সুপরিকল্পিত প্রতারণা।’ভারতবর্ষের সেই সতীদাহ প্রথার কথাই ধরা যাক না!

Barbie Politics: বার্বির রূপকথা, বার্বির রাজনীতি

এই ধরণের রোগের ব্যাপারটা আরো স্পষ্ট হয় ও স্পটলাইটে আসে যখন প্রিন্সেস ডায়ানা তাঁর ডায়েট কেন্দ্রিক মানসিক বিপর্যয়ের কথা স্বীকার করেন। এর পরে অনেক জনপ্রিয় পশ্চিমা তারকাও তাঁদের না খাওয়ার বিপত্তির কথা স্বীকার করেন। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে দেয়া যায় আরেকটি তথ্যও। বার্বির আবিষ্কারক রুথ হ্যান্ডলারের নাতনি স্টেসি হ্যান্ডলার তার ‘দ্য বডি বারডেন: লিভিং ইন দ্যা শ্যাডো অফ বার্বি’ বইটিতে তার ‘না খাওয়া বিপর্যয়’-এর কারণ হিসেবে বার্বি পুতুল ও তার দাদিকে দায়ী করেন।

ছাপাখানার ইতিহাস

ছাপাখানা কী ভয়ানক ব্যাপার হতে পারে তা যদি তুমি দেখতে চাও তবে খুব বড় কাগজওয়ালাদের কাছে গিয়ে দেখ। সেখানে প্রেসের ঘরে ঢুকতেই মনে হবে যেন কানে তালা লেগে গেল। প্রেসের ভনভন শব্দে নিজের চেঁচানি নিজেই শুনতে পাবে না। কল এত তাড়াতাড়ি চলে যে,কখন কি করে ছাপা হচ্ছে কিছু বুঝবার জো নেই। এমন প্রেসও আছে, যাতে বারো পৃষ্ঠা খবরের কাগজ প্রতি ঘন্টায় এক লাখ করে ছাপা হয়। যদি প্রেসটার ভিতর ভাল করে তাকিয়ে দেখ, দেখবে একদিকে একটা লোহার ডান্ডার প্রায় ৪/৫ হাত চওড়া কাগজের ফিতে জড়ান-ফিতাটা লম্বায় হয়ত ২/৩ মাইল হবে। প্রেসের মধ্যে পরপর কতগুলো প্রকান্ড লোহার চোঙা ভয়ানক জোরে বনবন্ করে ঘুরছে-আর সেই সঙ্গে হুড়হুড় করে কাগজের ‘ফিতে’ টেনে নিয়ে,তার উপর ছেপে যাচ্ছে। মাইলকে মাইল কাগজ চোখের সামনে শেষ হয়ে যাচ্ছে। বিলাতের একটা বড় খবরের কাগজ (Daily Mail) ছাপতে প্রতি সপ্তাহে ৩০০ মণ কালি আর দশ হাজার মাইল কাগজ খরচ হয়।