বাগান হোক অভয়ারণ্য

মেহেদী হাসান

বাড়ির পেছনে আছে ছোট্ট উঠান বা বাগান মতোন জায়গা। একদিন খেলতে খেলতে সেখানে একটি ছোট্ট কাঠবেড়ালীর ছানা দেখতে পেলে কেমন লাগবে ভাবো তো? ভাবতেই ভালো লাগছে ব্যাপারটা তাইনা?

তোমার বাড়ির পিছনের ছোট্ট বাগানটিতে যাতে বিভিন্ন ভবঘুরে প্রাণীরা নিরাপদে ঘুরে বেড়াতে করতে পারে সে জন্য তুমি নিতে পারো কিছু প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। খুবই সহজ কিছু পদক্ষেপে তুমি এটা নিশ্চিত করতে পারো যে তোমার উঠানের গাছপালাগুলো যাতে প্রাণীবান্ধব হয়।

তোমার যা প্রয়োজন হবে

তুমি যে পাড়ায় থাকো সেই পাড়ায় ছোট-খাটো ঝোপঝাড় এবং প্রাণীরা খেতে পারে এমন প্রাকৃতিক খাবার-দাবারের ব্যবস্থা থাকতে হবে। খাবার দাবারের ব্যবস্থা না থাকলে প্রাণীদের বসবাস অসম্ভব। এছাড়াও তুমি তোমার বড় ভাই-বোন, কিংবা দাদু-দিদার কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে জানতে পারো যে এসব পশুপাখিদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তুমি কিভাবে তৈরি করতে পারো। পাখিদের জন্য গোসলের স্থানের ব্যবস্থা এবং খাবারের ব্যবস্থা তুমি নিজেই করতে পারবে। এক্ষেত্রে খাবার তুমি কিনে নিতে পারো দোকান থেকে। অথবা পাখিদের প্রাকৃতিক খাবার সংগ্রহও করতে পারো নিজ দায়িত্বে।

ধাপে ধাপে শিখি!

  • প্রথমেই বড় কারোর সাহায্য নিয়ে উঠানে ঝোপঝাড় রোপন করবে, যাতে ভবঘুরে প্রাণীরা সহজে এই জায়গাকে নিজেদের আশ্রয় কিংবা গোপন স্থান অথবা ঘাঁটি নির্মাণে ব্যবহার করতে পারে। এছাড়াও যে সকল প্রাণী বিভিন্ন বীজ ও বাদাম জাতীয় খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে তারা এটাকে সংরক্ষনাগার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।
  • পাখির গোসলের জন্য একটি স্থান নির্বাচন কর এবং বড় কারোর সাহায্য নিয়ে তা স্থাপন কর। পাখি ও অন্যান্য ছোট প্রাণী এটাতে গোসল করবে এবং খাবার পানি হিসেবে ব্যবহার করবে।
  • পাখির খাদ্য ঝুলানোর জন্য একটি গাছ নির্বাচন কর এবং তাতে খাদ্য ঝুলানোর ব্যবস্থা কর।
  • যে সকল প্রাণী তোমার বাগানে আসছে তাদের প্রতি লক্ষ্য রাখবে। মনে রাখবে, প্রাণীগুলোর খুব কাছাকাছি যাবে না। এতে তারা বিরক্ত হতে পারে। প্রাণীগুলো সবসময় চাইবে মানুষ থেকে মোটামোটি একটা দূরত্ব বজায় রাখতে। তাই তাদেরকে না ঘাটানোই উত্তম।

তোমার বাড়ির পিছনে বাগান নেই? কোন সমস্যা নেই। যেই সকল প্রাণী তুমি তোমার বাসার কাছের পার্ক ও খেলার মাঠে দেখে থাকো তার একটি তালিকা করতে পারো।

 

(ইন্টারনেট অবলম্বনে)

সংগ্রাহকঃ শিক্ষার্থী, ফিন্যান্স বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

Leave a Reply