পিসি মা

অন্ধকারে পুরনো লণ্ঠনের আলোয় মাঝি আর মতি মিয়ার মুখ ঝাপসা দেখতে পায় মিরাজ আলীর ছেলে। মাঝি নরসুন্দায় এসে চাদর খুলে মিষ্টি নারীকণ্ঠে গান ধরে, বনমালী গো….

ভ্রান্তি

বিনীতার ধারণা সে আস্তে আস্তে পাগল হয়ে যাচ্ছে৷ এমন অনেক কিছুই সে দেখতে পাচ্ছে, যার কোন অস্তিত্ব আসলে নেই৷ যেমন বিনীতার সামনে এখন যে ছেলেটি বসে আছে, যেমন বিনীতার সামনে এখন যে ছেলেটি বসে আছে, তার এখানে মোটেও বসে থাকার কথা নয়৷

সব হারানোর গল্প

কিশোর পত্রিকা কাকাড্ডা সব সময় উৎসাহিত করে কিশোর লেখকদের। এসব লেখায় হয়তো আনাড়ি ছাপটাও কখনো খুব স্পষ্ট। কিন্তু এই লেখার চর্চাটা ধরে রাখা খুব জরুরী। আজ প্রকাশিত হলো গুরুদয়াল সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী সাদিয়া সুলতানা রিচির লেখা একটি গল্প। 

সত্যবাদী মামাদ

আফ্রিকার এক রাজ্যে মামাদ নামে একজন বুদ্ধিমান ব্যক্তি ছিলেন। তিনি কখনও মিথ্যা বলতেন না। রাজ্যের সব মানুষ তাকে খুব জানতো। সে রাজ্যের রাজা যখন মামাদের সম্পর্কে জানলেন তখনই তাঁর সেপাইদের আদেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে আ্সার জন্য।

নেপোলিয়নের চিঠি । পর্ব ৬ । সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্টি ।

দু দিন পরে শনিবার সকালে লালমোহনবাবু এসে বললেন, জলের তল পাওয়া যায়, মনের তল পাওয়া দায়। আপনার অতলস্পর্শী চিন্তাশক্তির জন্য আপনাকে একটি অনারারি টাইটেলে ভূষিত করা গেল। —এ বি সি ডি।

বারমুডা ট্রায়াঙ্গলঃ সমুদ্রের এক অনন্য রহস্যপুরী

আমাদের এই পৃথিবীতে যত রহস্যঘন ব্যাপার আছে তার মধ্যে সবচেয়ে রহস্যপূর্ণ হচ্ছে সমুদ্র। হাজার হাজার কিলোমিটার বিস্তৃত হাজার হাজার কিলোমিটার গভীর এই সমুদ্রের মধ্যে কল্পিত হয়েছে অন্য এক জগৎ, আবিষ্কৃত হয়েছে অদ্ভুত কিছু প্রাণী, এখনো অজানায় ঘিরে রয়েছে বিশাল এলাকা। “বারমুডা ট্রায়াঙ্গল” সমুদ্রপৃষ্ঠের উপর অবস্থিত এমনই এক রহস্যময় এলাকা।

টুনটুনি ও রাজা

সভার লোক চমকে উঠল, আর টুনটুনি সেই ঢেকুরের সঙ্গে বেরিয়ে এসে উড়ে পালালো।
রাজা বললেন, ‘গেল, গেল! ধর্‌ ধর্‌!’ অমনি দুশো লোক ছুটে গিয়ে আবার বেচারাকে ধরে আনলো।
তারপর আবার জল নিয়ে এল, আর সিপাই এসে তলোয়ার নিয়ে রাজা মশায়ের কাছে দাঁড়াল, টুনটুনি বেরুলেই তাকে দু টুকরো করে ফেলবে।
এবার টুনটুনিকে গিলেই রাজামশাই দুই হাতে মুখ চেপে বসে থাকলেন, যাতে টুনটুনি আর বেরুতে না পারে। সে বেচারা পেটের ভিতরে গিয়ে ভয়ানক ছটফট করতে লাগল!