বসন্তের টিকা

বসন্ত ছিলো একসময়ের মহামারী রোগ। ইউরোপের শত মানুষ প্রতিদিন আক্রান্ত হতো এই রোগে। তখন ডাক্তার জেনার গাইয়ের বাঁট থেকে আবিষ্কার করেন বসন্তের প্রতিষেধক।

আদিম অর্থনীতি ও শ্রেণীর উৎপত্তি

বহু প্রাচীন এই পৃথিবীতে টিকে থাকার সংগ্রামে হারিয়ে গেছে বহু প্রানীর অস্তিত্ব। অস্তিত্বের এই লড়াইয়ে মানুষ সবচেয়ে লড়াকু জীবদের মধ্যে একটি। মানুষের দৈহিক গঠন, বুদ্ধির চর্চা অন্যান্য প্রানীর চেয়ে উন্নত হওয়ায় প্রতিকূল প্রকৃতির সাথে লড়াই করে টিকে থাকা অনেকটাই সহজতর হয়েছে।

মাংসাশী উদ্ভিদের দ্বিতীয় পর্ব

মাংসাশী উদ্ভিদ,যারা কীটপতঙ্গকে ফাঁদে ফেলার জন্য বিভিন্ন চটকদার কৌশল অবলম্বন করে। উদাহরণ হিসেবে ব্লাডারওর্টকে নেওয়া যেতে পারে। এদের শান্ত পুকুরে জন্মানো ক্ষুদ্র উদ্ভিদ বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এরা উদ্ভিদজগতের দ্রুততম শিকারী হিসেবে পরিচিত যা সেকেন্ডের পঞ্চাশ ভাগের একভাগ সময়ে অসতর্ক মশার লার্ভাকে ফাঁদে ফেলতে সক্ষম!

মাংসাশী গাছ!

মাংসখেকো হিসেবে পরিচিত হলো বাঘ, নেকড়ে, সিংহ। আর উদ্ভিদ যে সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে খাদ্য তৈরী করে সে কথা তো সবারই জানা। উল্টো পোকা-মাকড় উদ্ভিদের পাতা খেয়ে ফেলে। কিন্তু এমন ৭০০ প্রজাতির উদ্ভিদ আছে যে গুলো নিজেরাই পোকা খেয়ে ফেলে। মাংসখেকো এসব আশ্চর্য উদ্ভিদের আটটির ছবি নিয়ে ন্যাট জিও কিডস ম্যাগাজিন থেকে কাকাড্ডার পরিবেশনা-

কলসী গুল্ম
ভেনাস ফ্লাই ট্র্যাপ
হলুদ কলসী গুল্ম
গোখরা পদ্ম
বাটারওর্ট
বানর পেয়ালা
অস্ট্রেলিয়ান সানডিউ
ভাসমান ব্লাডারওর্ট

অর্থনীতি ও উৎপাদন প্রণালী

অর্থনীতি শব্দটি শুনলেই আমাদের চোখের সামনে যা ভেসে ওঠে তা হলো টাকা-পয়সার হিসেব-নিকেশ, গ্রাফের সোজা-বাঁকা, প্যাঁচানো রেখা। সত্যিকার অর্থনীতির পরিসর … আরো পড়ুন…

ছোট প্রাণ ছোট কথাঃ লুনা মথ

সবুজ পাতার ওপর তার উজ্জ্বল সবুজ পাখা মেলে বসে থাকে লুনা মথ। হঠাৎ করেই পাখা দুটিকে ছড়িয়ে দেয় মথটি। পোকাটি তার পাখাগুলোকে সাড়ে চার ইঞ্চির মত বড় করতে পারে যা কি না একটা ছোট্ট আইফোনের সমান দৈর্ঘ্যের!

খিদের সমাধান বটিকা ইন্ডিকা

প্রফেসর শঙ্কু কিংবা শঙ্কর, কাকাবাবুদের মতো যাদের এ্যাডভেঞ্চারের তীব্র নেশা তাদের জন্য বটিকা ইন্ডিকার কোনো ট্যাবলেট যদি সত্যি সত্যি থাকতো তবে তো বেশ হতো। বটিকা ইন্ডিকার ফর্মুলা হয়তো শঙ্কু ছাড়া পৃথিবীর আর কোনো বিজ্ঞানীর জানা থাকলেও তার উৎপাদন হয়তো এতোটা সুলভ নয়।

মূল্যস্ফীতির ভেতর-বাহির

মূল্যস্ফীতি কে বলায় অর্থনীতির নীরব ঘাতক। এর কারণে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বেড়ে যায়, ফলে ব্যয় করতে হয় বেশী। মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের প্রকৃত আয় কমে যায়। এতে করে সবচেয়ে বেশী ক্ষতি হয় নিম্নআয়ের মানুষদের। আবার মূল্যস্ফীতি একেবারে না থাকলেও হয় না।